Previous Exam (স্কুল পর্যায় -১) — MCQ ও উত্তর
এসএসসি প্রস্তুতি · । এই অধ্যায়ে মোট 1430টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 10টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।
এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন
নিচের কোনটি মিশ্র শব্দ নয়?
- হেড-পণ্ডিত
- হাট-বাজার
- হেডমাস্টার
- শাকসবজি
সঠিক উত্তর: হেডমাস্টার
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C কোন কোন সময় দেশী ও বিদেশী শব্দের মিলনে শব্দদ্বৈত সৃষ্টি হয়ে থাকে। তাকে মিশ্র শব্দ বলে। শাকসবজি একটি মিশ্র। যা শব্দ তৎসম ও ফারসি শব্দ সহযোগে গঠিত। আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য মিশ্র শব্দ: - হেড-মৌলভি (ইংরেজি + ফারসি),- হেড-পণ্ডিত (ইংরেজি + তৎসম),- খ্রিষ্টাব্দ (ইংরেজি + তৎসম),- ডাক্তার-খানা (ইংরেজি + ফারসি),- কালি-কলম - সংস্কৃত + আরবি - রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি),- হাট-বাজার (বাংলা + ফারসি) ইত্যাদি।
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন কী?
- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
- চর্যাপদ
- বৈষ্ণব পদাবলী
- নাথ সাহিত্য
সঠিক উত্তর: শ্রীকৃষ্ণকীর্তন
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন/ প্রথম কাব্য- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন।- শ্রীকৃষ্ণকীর্তন হল বড়ু চণ্ডীদাস রচিত একটি মধ্যযুগীয় বাংলা কাব্য। - এটি আদি মধ্যযুগীয় তথা প্রাক্-চৈতন্য যুগে বাংলা ভাষায় লেখা একমাত্র আখ্যানকাব্য। - ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের একটি গোয়ালঘর থেকে এই কাব্যের খণ্ডিত পুথিটি আবিষ্কার করেন। - ১৯১৬ খ্রিস্টাব্দে তাঁরই সম্পাদনায় বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে পুথিটি গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। - শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্যের মূল উপজীব্য রাধা ও কৃষ্ণের প্রণয়কাহিনি। - কাব্যের প্রধান তিন চরিত্র রাধা, কৃষ্ণ ও বড়ায়ি।- উল্লেখ্য, মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন/শ্রেষ্ঠ ফসল- বৈষ্ণব পদাবলি।- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন / আদি নিদর্শন / আদি গ্রন্থ / প্রাচীনতম পদ সংকলন / বাংলা ভাষার প্রাচীনতম সাহিত্য / বাংলা সাহিত্যের প্রথম গ্রন্থ - চর্যাপদ।
অম্বর শব্দের অর্থ-
- পৃথিবী
- আকাশ
- মেঘ
- জল
সঠিক উত্তর: আকাশ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B অম্বর শব্দের প্রতিশব্দ - আকাশ, গগণ, আসমান, শূন্য, নভোমন্ডল, ব্যোম, অন্তরীক্ষ, নভঃ।
কোনটি অর্ধ-তৎসম শব্দের উদাহরণ?
- মাথা
- ঢেঁকি
- ভবন
- কুচ্ছিত
সঠিক উত্তর: কুচ্ছিত
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D কুচ্ছিত - অর্ধতৎসম শব্দ। কারণ, কুৎসিত(তৎসম) < কুচ্ছিত (অর্ধ তৎসম)।সংস্কৃত ভাষা থেকে যে শব্দগুলি সরাসরি বাংলা ভাষায় এসেছে কিন্তু শব্দগুলির যথাযথ রূপ রক্ষা পায়নি, বিকৃত হয়ে গেছে, তাদের অর্ধতৎসম শব্দ বলে। যেমন: নিমন্ত্রণ শব্দটি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসে 'নেমন্তন্ন' হয়ে গেছে। এটি অর্ধতৎসম শব্দ। - তৎসম,অর্ধতৎসম ও তদ্ভব এই তিন ধরনের শব্দ মিলে বাংলা ভাষার শরীর গঠিত হয়েছে - তৎসম ও তদ্ভব (তৎ+ভব) শব্দ গুলো ব্যবহার শুরু করে ছিলেন প্রাকৃত ভষার ব্যাকরন রচয়িতারা। - বাংলা ভাষার শতকরা বায়ান্ন(৫২) টি শব্দ অর্ধতৎসম ও তদ্ভব শব্দ - বাংলা ভাষায় তৎসম শব্দ রয়েছে শতকরা চুয়াল্লিশটি(৪৪) - বাংলা ভাষায় শতকরা ছিয়ানব্বইটি মৌলিক বাংলা শব্দ রয়েছে।।
দর্শক শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ-
- দৃক+অক
- দৃশ্ + ষ্ণক
- দৃশ্ + অক
- দৃ + শক্
সঠিক উত্তর: দৃশ্ + অক
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C ‘দর্শক’ = দৃশ্ + অক(ণক)।- এটি প্রকৃতপক্ষে সন্ধি নয়, প্রত্যয়।- সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয়ের বিশেষ্য গঠনের নিয়মে গঠিত হয়েছে।
পত্র শব্দটির আভিধানিক অর্থ কী?
- বিনিময়
- যোগাযোগ
- চিহ্ন বা স্মারক
- সংযোগ
সঠিক উত্তর: চিহ্ন বা স্মারক
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C 'পত্র' এর শাব্দিক অর্থ 'পাতা' এবং এর আভিধানিক অর্থ 'চিহ্ন' বা 'স্মারক' ।
পাশ্চাত্য শব্দের বিপরীত শব্দ-
- প্রাতীচ্য
- প্রাচ্য
- পশ্চিমা
- পূর্ব পশ্চিম
সঠিক উত্তর: প্রাচ্য
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B পাশ্চাত্য : পশ্চিমাদেশীয়, প্রতীচ্য, ইউরোপীয় বা আমেরিকা দেশীয় পাশ্চাত্য শিক্ষা.; পশ্চাদ্বর্তী; পশ্চাৎ আগত।প্রাচ্য : পূর্বদেশীয়।
কোন ধরনের শব্দে কখনোই মূর্ধন্য-ণ হবে না ?
- তৎসম
- বিদেশী
- তদ্ভব
- আঞ্চলিক
সঠিক উত্তর: বিদেশী
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B বাংলা ভাষায় সাধারণত মূর্ধন্য - ণ ও মূর্ধন্য - ষ ধ্বনি ব্যবহার নেই। তাই বাংলা ভাষা ব্যবহৃত বিদেশি সঙ্গে কখনো মূর্ধন্য 'ণ' ও মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয় না ।
বারান্দা কোন ভাষা থেকে আগত?
- পর্তুগীজ
- ওলন্দাজ
- তুর্কি
- ইংরেজী
সঠিক উত্তর: পর্তুগীজ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A পর্তুগীজ মনে রাখার সহজ পদ্ধতিঃ"পর্তুগাল" এর "পাদ্রী" সাহেব "চাবি" দিয়ে "গীর্জা" খুলল, তিনি ১ "বালতি" "আটা" "আনারস" "আলপিন" "পেঁপে" "পেঁয়ারা" "পাউরুটি" "আচার" "সাগু" ও "সালসা" "আলমারি" তে রেখে দিলো। "বিন্তি" "সাবান" ও "তোয়ালে" নিয়ে "কামরা" য় ঢুকলো। সে ঝর্না ছাড়িয়া তার "কামিজ" এর "বোতাম'' ও "ফিতা" খুলিতে লাগলো। এমন সময় "আতা" "জানালা" য় "টোকা" মারিল। "কেরানী" ও "আয়া" "বারান্দা" র। ''কেদারা" য় বসে ফালতু মস্করা করে একটি গান গাইলো:- স্বামী আর "ইস্তিরি" "পেরেক" মারে "মিস্ত্রি"।
সমাসের রীতি কোন ভাষা থেকে আগত?
- আরবি
- সংস্কৃত
- ফারসি
- ইংরেজী
সঠিক উত্তর: সংস্কৃত
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B সমাসের রীতি সংস্কৃত থেকে বাংলায় এসেছে। সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। অর্থ সম্বন্ধ আছে এমন একাধিক শব্দের একপদীকরণ।