Eduversity.bd — Learn with Us, Achieve Your Dreams

ভূমি মন্ত্রণালয় — MCQ ও উত্তর

মন্ত্রণালয়, দপ্তর ও কমিশন · । এই অধ্যায়ে মোট 619টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 10টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।

এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন

  1. কোন রাজ বংশের আমলে 'চর্যাপদ' রচনা শুরু হয়?

    1. পাল
    2. সেন
    3. মোগল
    4. তুর্কি

    সঠিক উত্তর: পাল

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A -ভারতীয় উপমহাদেশে পাল রাজারা ৭৫০ থেকে ১১৬১ সাল পর্যন্ত শাসনক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন। -পাল রাজারা ছিলেন বৌদ্ধ ধর্মালম্বী। -ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, ৬৫০ থেকে ১২০০ সালের মধ্যে এবং সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ৯৫০ থেকে ১২০০ সালের মধ্যে বৌদ্ধ সহজিয়াগণ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের প্রাচীন নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ রচনা করেন। -বৌদ্ধ সহজিয়া কর্তৃক রচিত হওয়ায় এতে বিধৃত হয়েছে বৌদ্ধ ধর্মের তত্ত্বকথা। -এছাড়াও এতে পাল রাজাদের সময়কালের সামাজিক ও অর্থনৈতিক চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। -মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার (রয়েল লাইব্রেরি) থেকে ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কার করেন। -এতে পদসংখ্যা ৫১টি এবং পদকর্তা ২৪ জন। প্রথম পদের রচয়িতা লুইপা। -চর্যাপদের সর্বোচ্চ ১৩টি পদের রচয়িতা কাহ্নপা।

  2. ‘স্বাধীন’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

    1. স+অধিন
    2. শ+অধিন
    3. স্ব+অধিন
    4. স্ব+অধীন

    সঠিক উত্তর: স্ব+অধীন

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D • তৎসম স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে, অ-কার কিংবা আ- কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ- কার হয়; আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়।• যেমন: স্ব+অধীন (অ+অ = আ)= স্বাধীন, নর+অধম = নরাধম ।

  3. ‘সিরাজাম মুনীরা' কাব্যের রচয়িতা কে?

    1. তালিম হোসেন
    2. ফররুখ আহমদ
    3. গোলাম মোস্তফা
    4. আবুল হোসেন

    সঠিক উত্তর: ফররুখ আহমদ

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B ফররুখ আহমদ কর্তৃক ধর্মীয় পথপ্রদর্শকদের নিয়ে রচিত কাব্যগ্রন্থ 'সিরাজাম মুনিরা' (১৯৫২)। এ কাব্যে মোট ১৯টি কবিতার সমন্বয়ে ইসলামি ঐতিহ্যকে রূপায়িত করা হয়েছে। ফররুখ আহমদ রচিত প্রথম প্রকাশিত ও শ্রেষ্ঠ কাব্য 'সাত সাগরের মাঝি (১৯৪৪); কাব্যনাট্য: 'নৌফেল ও হাতেম' (১৯৬১); কাহিনীকাব্য: 'হাতেমতায়ী' (১৯৬৬); সনেট সংকলন: 'মুহূর্তের কবিতা' (১৯৬৩); শিশুতোষ গ্রন্থ: 'পাখির বাসা' (১৯৬৫); কাব্যগ্রন্থ: 'হাবেদা মরুর কাহিনী' (১৯৮১), 'সিন্দাবাদ'।

  4. বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ কোনটি?

    1. কথোপকথন
    2. চর্যাপদ
    3. মঙ্গলকাব্য
    4. আলালের ঘরের দুলাল

    সঠিক উত্তর: কথোপকথন

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - উইলিয়াম কেরী রচিত বাংলা ভাষায় মুদ্রিত প্রথম গ্রন্থ এবং বাংলা ভাষার কথ্যরীতির প্রথম নিদর্শন ‘কথোপকথন’ (১৮০১)। - একাধিক মানুষের মুখের সাধারণ কথা বা কথোপকথন বা ডায়লগ এ গ্রন্থের উপজীব্য। - কেরী রচিত বাংলা ভাষার প্রথম গল্পগ্রন্থ ‘ইতিহাসমালা’ (১৮১২)। - প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন 'চর্যাপদ'; - মধ্যযুগের সাহিত্যিক নিদর্শন ‘মঙ্গলকাব্য'; - প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত ‘আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৭) বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস।

  5. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে কবে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি দেওয়া হয়?

    1. ১৮৫১ সালে
    2. ১৮৪৭ সালে
    3. ১৮৩৯ সালে
    4. ১৯৪১ সালে

    সঠিক উত্তর: ১৮৩৯ সালে

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C - সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মাত্র ১৯ বছর বয়সে সংস্কৃত কলেজ থেকে ১৮৩৯ সালে ‘বিদ্যাসাগর’ উপাধি লাভ করেন। - তাঁর পারিবারিক উপাধি ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তিনি ‘ঈশ্বরচন্দ্র শর্মা’ নামে স্বাক্ষর করতেন। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক রচিত মৌলিক গ্রন্থ ‘প্রভাবতী সম্ভাষণ (১৮৬৩), ‘অতি অল্প হইল' (১৮৭৩), ‘আবার অতি অল্প হইল' (১৮৭৩), ‘ব্রজবিলাস' (১৮৮৫), 'রত্ন পরীক্ষা' (১৮৮৬) প্রভৃতি। - ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কর্তৃক অনূদিত গ্রন্থসমূহ: ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ (১৮৪৭), ‘জীবনচরিত' (১৮৪৯), ‘শকুন্তলা (১৮৫৪), (১৮৫৪), 'সীতার বনবাস’ ‘সীতার বনবাস’ (১৮৬০), ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (১৮৬৯), ‘বাঙালার ইতিহাস (১৮৭৮)।

  6. কাজী নজরুল ইসলামের প্রেমের কাব্য কোনটি?

    1. ফণিমনসা
    2. বনগীতি
    3. দোলনচাঁপা
    4. গানের মালা

    সঠিক উত্তর: দোলনচাঁপা

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C - কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রেমের কাব্য 'দোলনচাঁপা' (অক্টোবর, ১৯২৩)। - তিনি স্ত্রী দুলির নামানুসারে এ কাব্যের নামকরণ করেন। - স্ত্রী দুলির সাথে কবির হৃদয়লীলার বিচিত্র বর্ণোজ্জ্বল স্বাক্ষর, প্রেম সম্পর্কিত অস্থির মানসিকতা, প্রেমিকের বিচিত্র প্রণয়লীলা, মান- অভিমান, অনুরাগ-বিরাগসহ বিচিত্র ভাব-ভাবনা এ কাব্যের মৌল উপজীব্য। কাব্যটির বিখ্যাত কবিতাসমূহ: - আজ সৃষ্টি সুখের উল্লাসে, - বেলাশেষে, - পূবের হাওয়া, - চোখের চাতক, - অবেলার ডাক, - পূজারিণী। কাজী নজরুল ইসলাম রচিত ‘ফণিমনসা’ (১৯২৭) কাব্যে দ্রোহ ও প্রেম বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে। তাঁর রচিত সংগীত গ্রন্থ: ‘বনগীতি' (১৯৩১) ও ‘গানের মালা’ (১৯৩৪)।

  7. ‘ঊনকোটি চৌষট্টি’- এ বাগধারার অর্থ কী?

    1. অপদার্থ
    2. পাগলামি
    3. অপব্যয়ী
    4. প্রায় সম্পূর্ণ

    সঠিক উত্তর: প্রায় সম্পূর্ণ

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D ‘ঊনকোটি চৌষট্টি’ বাগধারার অর্থ প্রায় সম্পূর্ণ। অকাল কুষ্মাণ্ড / আমড়া কাঠের ঢেঁকি / ঊনপাঁজুরে / কচু বনের কালাচাঁদ / ঘটিরাম / ঢেঁকির কুমির / ধর্মের ষাঁড় / নালায়েক প্রভৃতি বাগধারার অর্থ- অপদার্থ; ঊনপঞ্চাশ বায়ু- পাগলামি; উড়নপেকে- অপব্যয়ী।

  8. তাম্বুলখানা গ্রামে জন্মেছিলেন কোন কবি?

    1. জসীমউদ্দীন
    2. ফররুখ আহমদ
    3. আবুল হোসেন
    4. শহীদ কাদরী

    সঠিক উত্তর: জসীমউদ্দীন

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A ● পল্লীকবি জসীমউদ্দীন ১ জানুয়ারি, ১৯০৩ সালে ফরিদপুরের তাম্বুলখানা গ্রামে (মাতুলালয়) জন্মগ্রহণ করেন। পৈতৃক নিবাস: ফরিদপুরের গোবিন্দপুর (বর্তমান নাম: আম্বিকাপুর) । তিনি ১৩ মার্চ, ১৯৭৬ সালে মারা যান। তাঁর অন্তিম ইচ্ছানুসারে ১৪ মার্চ ফরিদপুরের আম্বিকাপুরে দাদীর কবরের পাশে সমাহিত করা হয়। জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থগুলো: - নক্সীকাঁথার মাঠ, - ধানক্ষেত, - রূপবতী, - রাখালী, বালুচর, - মাটির কান্না ইত্যাদি। শিশুতোষ গ্রন্থগুলো হলো: -হাসু, এক পয়সার বাঁশি ও ডালিম কুমার। তার রচিত নাটকগুলো: - মধুমালা, - বেদের মেয়ে, - পল্লীবধূ ও গ্রামের মায়া। ● ফররুখ আহমদ ১০ জুন, ১৯১৮ সালে মাগুরা জেলার (তৎকালীন যশোর) শ্রীপুর উপজেলার মাঝআইল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ● শহীদ কাদরী ১৪ আগস্ট, ১৯৪২ সালে কলকাতার পার্কস্ট্রিটে জন্মগ্রহণ করেন। ● আবুল হোসেন ১৫ আগস্ট, ১৯২২ সালে বাগেরহাটের ফকিরহাটে জন্মগ্রহণ করেন।

  9. ‘তপোবন’ কোন সমাস?

    1. দ্বন্দ
    2. চতুর্থী তৎপুরুষ
    3. প্রাদি
    4. বহুব্রীহি

    সঠিক উত্তর: চতুর্থী তৎপুরুষ

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B পূর্বপদে চতুর্থী বিভক্তি (কে, জন্য, নিমিত্ত ইত্যাদি) লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাই চতুর্থী তৎপুরুষ সমাস। যেমন: বিয়ের জন্য পাগল = বিয়েপাগল; তপের নিমিত্ত বন = তপোবন ।

  10. ধাতুর পরে কোন প্রত্যয় যুক্ত হলে ভাববাচক বিশেষ্য বুঝায়?

    1. আই
    2. আল
    3. আন
    4. আও

    সঠিক উত্তর: আও

    ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D কৃৎ-প্রত্যয়ের (ধাতুর পর) ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে ‘আও’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: - √পাকডু+আও =পাকড়াও; - √চড়+আও – চড়াও; - √বাঁচ+আও=বাঁচাও ৷ কৃৎ-প্রত্যয়ের ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য শব্দ গঠনে ‘আই’ প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: - √সিল+আই = সিলাই; = √যাচ+আই = যাচাই; - √চড়ু+আই চড়াই। উল্লেখ্য, তদ্ধিত প্রত্যয়ের ভাববাচক বিশেষ্য গঠনে আই-প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়। যেমন: - বড়+আই = বড়াই; - পুষ্ট+আই = পোষ্টাই ।

← আগের অধ্যায়পরের অধ্যায় →