বাংলা (স্কুল পর্যায়- ২) — MCQ ও উত্তর
এসএসসি প্রস্তুতি · । এই অধ্যায়ে মোট 81টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 10টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।
এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন
বাংলা গদ্যের মৌখিক রূপের প্রধান দুটি রীতি কী কী?
- সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা
- আদর্শ চলিত ও আঞ্চলিক উপভাষা
- মান্য কথ্য ও প্রমিত লেখ্য
- আঞ্চলিক ভাষা ও সাধু রীতি
সঠিক উত্তর: আদর্শ চলিত ও আঞ্চলিক উপভাষা
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - বাংলা ভাষার প্রধান দুটি রূপ: লেখ্য ও কথ্য (মৌখিক)।- মৌখিক বা কথ্য রূপের প্রধান দুটি রীতি হলো আদর্শ চলিত বা প্রমিত ভাষা এবং আঞ্চলিক উপভাষা বা ডায়ালেক্ট (Dialect)।- এনসিটিবি (NCTB) অনুমোদিত বাংলা ভাষার ব্যাকরণ অনুযায়ী, বাংলা কথ্য ভাষার এই দুটি রীতিই সর্বজনস্বীকৃত।• উদাহরণ: আদর্শ চলিত- 'ছেলেটি স্কুলে যায়'। আঞ্চলিক- 'পোলাডা ইস্কুলে যায়' (ভিন্ন অঞ্চলের ভিন্ন রূপ)।• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:- সাধু ভাষা ও চলিত ভাষা: সাধু ভাষা মৌখিক রূপ নয়, এটি সম্পূর্ণ লেখ্য রীতি।- মান্য কথ্য ও প্রমিত লেখ্য: প্রমিত লেখ্য মৌখিক রূপ হতে পারে না, তা শুধুমাত্র লেখার জন্য।- আঞ্চলিক ভাষা ও সাধু রীতি: সাধু রীতি মৌখিক নয়।
বাংলা সাহিত্যে 'সাধুভাষা' শব্দটি প্রথম কে ব্যবহার করেন?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- প্যারীচাঁদ মিত্র
- রাজা রামমোহন রায়
- মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
সঠিক উত্তর: রাজা রামমোহন রায়
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C বাংলা গদ্যের সূচনাপর্বে পণ্ডিতদের ব্যবহৃত গাম্ভীর্যপূর্ণ ও তৎসম শব্দবহুল ভাষাকে 'সাধুভাষা' বলা হতো।- বাংলা সাহিত্যে 'সাধুভাষা' শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন রাজা রামমোহন রায়।- বাংলাপিডিয়া ও অন্যান্য প্রামাণ্য গ্রন্থ অনুযায়ী, তিনি ১৮১৫ সালে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত 'বেদান্ত গ্রন্থ'-এর ভূমিকায় প্রথম এই শব্দটি উল্লেখ করেন। পরবর্তীতে বিদ্যাসাগরসহ অন্যান্য পণ্ডিতগণ এই ভাষাশৈলীকে আরও সুমার্জিত করে সাহিত্যের উপযোগী করে তোলেন।- রাজা রামমোহন রায়ের অন্যান্য গ্রন্থ: বেদান্তসার (১৮১৫), ভট্টাচার্যের সহিত বিচার (১৮১৭), গোস্বামীর সহিত বিচার (১৮১৮)।
সাধু ও চলিত ভাষার প্রধান বৈচিত্র্য ও পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি পরিলক্ষিত হয়?
- বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
- সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে
- অব্যয় ও ক্রিয়াপদে
- বিশেষ্য ও সর্বনাম পদে
সঠিক উত্তর: সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির প্রধান পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে পরিলক্ষিত হয়।- বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, সাধু রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ পূর্ণাঙ্গ বা দীর্ঘ রূপে ব্যবহৃত হয়, অন্যদিকে চলিত রীতিতে এগুলো সংক্ষিপ্ত ও পরিবর্তিত রূপে ব্যবহৃত হয়।• উদাহরণ: সর্বনাম পদ: সাধু- তাহার, চলিত- তার। ক্রিয়াপদ: সাধু- করিয়াছে, চলিত- করেছে।• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:- বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে: এই পদগুলোতে সাধু ও চলিত ভাষার রূপের সাধারণত কোনো পরিবর্তন হয় না (যেমন- আকাশ, সুন্দর)।- অব্যয় ও ক্রিয়াপদে: অব্যয় পদে কিছু ক্ষেত্রে (যেমন- নতুবা/নইলে) পার্থক্য থাকলেও, প্রধান ও ব্যাপক পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদেই স্পষ্ট।- বিশেষ্য ও সর্বনাম পদে: বিশেষ্য পদে সাধু-চলিত পার্থক্য পরিলক্ষিত হয় না।
বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রথম উদ্যোক্তা বা প্রবর্তক কে?
- প্রমথ চৌধুরী
- প্যারীচাঁদ মিত্র
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: প্যারীচাঁদ মিত্র
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B বাংলা চলিত গদ্যরীতির প্রথম উদ্যোক্তা বা প্রবর্তক হলেন প্যারীচাঁদ মিত্র (ছদ্মনাম: টেকচাঁদ ঠাকুর)। তিনি তাঁর 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮) উপন্যাসে সর্বপ্রথম কথ্য বা সাধারণ মানুষের মুখের ভাষাকে সাহিত্যের বাহন হিসেবে ব্যবহার করেন, যা 'আলালী ভাষা' নামে পরিচিত। এর মাধ্যমেই চলিত গদ্যের সূত্রপাত ঘটে, যদিও প্রমথ চৌধুরী পরবর্তীতে চলিত রীতিকে প্রমিত ও পরিশীলিত রূপ দান করেন।- প্যারীচাঁদ মিত্রের অন্যান্য গ্রন্থ: মদ খাওয়া বড় দায় জাত থাকার কী উপায় (১৮৫৯), রামারঞ্জিকা (১৮৬০), ডেভিড হেয়ারের জীবনচরিত (১৮৭৭)।
উনবিংশ শতাব্দীর শুরুতে কোন প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে বাংলা গদ্যচর্চা বেগবান হয়েছিল?
- শ্রীরামপুর মিশন
- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
- কলকাতা মাদ্রাসা
- হিন্দু কলেজ
সঠিক উত্তর: ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B ১৮০০ সালে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ-কে কেন্দ্র করেই আধুনিক যুগে বাংলা গদ্য চর্চা বেগবান হয়। বাংলাপিডিয়া অনুযায়ী, ব্রিটিশ সিভিলিয়ানদের বাংলা ভাষা শেখানোর জন্য এই কলেজে প্রথম প্রাতিষ্ঠানিক গদ্য চর্চা ও পাঠ্যপুস্তক রচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়। উইলিয়াম কেরি, রামরাম বসু ও মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারের মতো পণ্ডিতদের লেখায় বাংলা গদ্যের মূল ভিত্তি তৈরি হয়, ফলে বাংলা সাহিত্য পদ্যের গণ্ডি পেরিয়ে গদ্যরীতির যুগে প্রবেশ করে।- পাঠ্যপুস্তক নির্মাণ: সিভিলিয়ানদের বাংলা শেখাতে গদ্য পুস্তক প্রকাশ।- পণ্ডিতদের বিকাশ: পদ্যের পাশাপাশি গদ্যরীতির প্রাতিষ্ঠানিক চর্চা শুরু।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী সাধারণ বাক্যে পদসমূহের সঠিক বিন্যাসক্রম কোনটি?
- কর্তা + ক্রিয়া + কর্ম
- কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া
- কর্ম + কর্তা + ক্রিয়া
- ক্রিয়া + কর্তা + কর্ম
সঠিক উত্তর: কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - বাংলা ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী একটি আদর্শ বাক্যের গঠন বা পদক্রম হলো কর্তা + কর্ম + ক্রিয়া।- বাংলায় পদ বিন্যাস মূলত বামশাখাক্রমিক। অর্থাৎ বাক্যের শুরুতে কর্তা, মাঝে কর্ম এবং শেষে ক্রিয়া বসে।• উদাহরণ: 'আমি (কর্তা) বই (কর্ম) পড়ি (ক্রিয়া)'।• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:- কর্তা + ক্রিয়া + কর্ম: এটি ইংরেজি ভাষার (Subject + Verb + Object) সাধারণ পদক্রম, বাংলা ব্যাকরণের নয়।- কর্ম + কর্তা + ক্রিয়া: সাধারণত কর্ম বাক্যের শুরুতে বসে না, তবে বিশেষ জোর দিতে গেলে কখনো কখনো বসতে পারে, যা সাধারণ বা আদর্শ নিয়ম নয়।- ক্রিয়া + কর্তা + কর্ম: ক্রিয়া সাধারণত বাংলা বাক্যের শেষে বসে, শুরুতে নয়।
কোন পদের অনুপস্থিতিতে বা উহ্য থাকায় বাক্যে সাধু ও চলিত রীত পার্থক্য নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে?
- অসমাপিকা ক্রিয়া অনুক্ত বা উহ্য থাকলে
- সমাপিকা ক্রিয়া অনুক্ত বা উহ্য থাকলে
- ব্যক্তিবাচক সর্বনাম পদ অনুক্ত বা উহ্য থাকলে
- সংযোজক অব্যয় পদ অনুক্ত বা উহ্য থাকলে
সঠিক উত্তর: সমাপিকা ক্রিয়া অনুক্ত বা উহ্য থাকলে
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া অনুক্ত বা উহ্য থাকলে সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য নির্ণয় করা কঠিন হয়ে পড়ে।- সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে। একটি সাধারণ বাক্যে যখন সমাপিকা ক্রিয়া থাকে না এবং যদি কোনো সর্বনামও না থাকে, তবে বাক্যটি সাধু নাকি চলিত তা বোঝা যায় না।• উদাহরণ: 'তিনি আমার ভাই' (এখানে 'হন' সমাপিকা ক্রিয়াটি উহ্য)। বাক্যটি সাধু ও চলিত উভয় রীতিতেই অবিকৃত থাকে।• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:- অসমাপিকা ক্রিয়া অনুক্ত বা উহ্য থাকলে: অসমাপিকা ক্রিয়া উহ্য থাকলেও সমাপিকা ক্রিয়া উপস্থিত থাকলে তার রূপ দেখে রীতি চেনা যায়।- ব্যক্তিবাচক সর্বনাম পদ অনুক্ত বা উহ্য থাকলে: সর্বনাম না থাকলেও সমাপিকা ক্রিয়াপদের রূপ (যেমন- করেছে/করিয়াছে) দেখে রীতি সহজেই নির্ণয় করা যায়।- সংযোজক অব্যয় পদ অনুক্ত বা উহ্য থাকলে: সংযোজক অব্যয় সাধু-চলিত রীতি নির্ণয়ে প্রধান নিয়ামক নয়।
নামপদের 'দুই' সংখ্যাবাচকতা বোঝাতে সাধু ভাষায় পদের শেষে কোন শব্দ বা প্রত্যয় ব্যবহৃত হয়?
- যুগল
- দ্বয়
- দ্বৈত
- যুগ্ম
সঠিক উত্তর: দ্বয়
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - বাংলা ব্যাকরণে নামপদের 'দুই' বা জোড়া সংখ্যাবাচকতা বোঝাতে সাধু ভাষায় পদের শেষে 'দ্বয়' প্রত্যয় বা শব্দটি ব্যবহৃত হয়।- এটি প্রধানত তৎসম বা সংস্কৃত মূলক শব্দের সাথে যুক্ত হয়ে বহুবচন বা দ্বিবচন নির্দেশ করে।• উদাহরণ:- ভ্রাতৃদ্বয় (দুই ভাই), নেত্রদ্বয় (দুই চোখ), পদদ্বয় (দুই পা)।• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ- যুগল: এটি জোড়া বা দুই বোঝাতে ব্যবহৃত হলেও পদের শেষে প্রত্যয় হিসেবে সাধু রীতিতে সাধারণত ওইভাবে যুক্ত হয় না বা 'দ্বয়'-এর সমতুল্য ব্যাকরণিক ব্যবহার নেই।- দ্বৈত: এটি দ্বারা 'দুইটি বিষয়ের সমন্বয়' বোঝায়, সংখ্যাবাচক প্রত্যয় নয়।- যুগ্ম: এটি দ্বারা যুক্ত বা জোড়া বোঝায় (যেমন- যুগ্ম সচিব), প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
'টি' এবং 'গুলি' পদাশ্রিত নির্দেশক দুটি প্রধানত কোন গদ্যরীতির বৈশিষ্ট্য?
- চলিত গদ্যরীতি
- সাধু গদ্যরীতি
- আঞ্চলিক গদ্যরীতি
- কাব্যিক গদ্যরীতি
সঠিক উত্তর: সাধু গদ্যরীতি
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - বাংলা ভাষায় সাধু ও চলিত রীতির মধ্যে পদাশ্রিত নির্দেশকের রূপগত পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়।- ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী একবচনে সাধু রীতির 'টি' চলিত ভাষায় 'টা' হয় এবং বহুবচনে সাধু রীতির 'গুলি' চলিত ভাষায় 'গুলো' হয়।- সুতরাং 'টি' এবং 'গুলি' প্রধানত সাধু গদ্যরীতির বৈশিষ্ট্য।• উদাহরণ:- সাধু রীতি: লোকটি, গাছগুলি, আমগুলি।- চলিত রীতি: লোকটা, গাছগুলো, আমগুলো।• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যাঃ- চলিত গদ্যরীতি: চলিত রীতিতে 'টা' এবং 'গুলো' ব্যবহৃত হয়।- আঞ্চলিক ও কাব্যিক গদ্যরীতি: এগুলোতে সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণিক নিয়মের পরিবর্তে অঞ্চল বা ছন্দের প্রয়োজনে শব্দ ব্যবহৃত হয়, তবে 'টি/গুলি' সাধু রীতিরই প্রমিত নির্দেশক।
চলিত ভাষার প্রমিত রূপ মূলত কোন অঞ্চলের মানুষের ভাষাকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে?
- পদ্মা নদীর অববাহিকা ও ঢাকার বনেদি সমাজের ভাষা
- ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী ও কলকাতার সুশীল সমাজের ভাষা
- যমুনা নদীর তীরবর্তী ও ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষের ভাষা
- কর্ণফুলী নদীর অববাহিকা ও চট্টগ্রামের স্থানীয় সমাজের ভাষা
সঠিক উত্তর: ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী ও কলকাতার সুশীল সমাজের ভাষা
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী ও কলকাতার সুশীল সমাজের মুখের ভাষাকে কেন্দ্র করে চলিত ভাষার প্রমিত রূপ গড়ে উঠেছে।- প্রমথ চৌধুরীর হাত ধরে ভাগীরথী নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের মুখের ভাষার ভিত্তিতে এ রীতির সার্বজনীন স্বীকৃতি ঘটে।- উনিশ শতকে প্যারীচাঁদ মিত্র ও কালীপ্রসন্ন সিংহের লেখায় এর সূচনা হলেও, বিংশ শতাব্দীর শুরুতে 'সবুজ পত্র' পত্রিকার মাধ্যমে এই রীতি সাহিত্যের প্রমিত রূপ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।• ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:- পদ্মা নদীর অববাহিকা ও ঢাকার বনেদি সমাজের ভাষা: এই অঞ্চলের ভাষাকে কেন্দ্র করে চলিত ভাষার প্রাথমিক ভিত্তি তৈরি হয়নি।- যমুনা নদীর তীরবর্তী ও ময়মনসিংহের সাধারণ মানুষের ভাষা: এটি ময়মনসিংহের আঞ্চলিক উপভাষা।- কর্ণফুলী নদীর অববাহিকা ও চট্টগ্রামের স্থানীয় সমাজের ভাষা: এটি চট্টগ্রামের নিজস্ব আঞ্চলিক ভাষা বা উপভাষা।