NSI নিয়োগ — MCQ ও উত্তর
NSI নিয়োগ · । এই অধ্যায়ে মোট 1530টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 10টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।
এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন
বাংলা গদ্যের জনক কে?
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
- জুলিয়াস কেরী
- বঙ্কিম চন্দ্র
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সঠিক উত্তর: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন।- ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিত মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারসহ অন্যান্য পণ্ডিতগণ এবং রাজা রামমোহন রায়ের বাংলা গদ্য রচনার প্রয়াস প্রশংসনীয়, কিন্তু তা ছিল অপূর্ণ।- বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যকে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতি সন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। বাংলা গদ্যের অন্তর্নিহিত ধ্বনিঝংকার ও সুরবিন্যাস তিনিই প্রথম উপলব্ধি করেন, বাংলা গদ্যপ্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি তাঁর গদ্যে ‘উচ্চবচ ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দস্রোত সৃষ্টি করেন এবং বাংলা গদ্যের শ্বাসপর্ব ও অর্থপূর্ব অনুসারে ভাগ করে, সেখানে যতি চিহ্ন প্রয়োগ করে বাংলা গদ্যেকে তিনি সাহিত্যগুণ সম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই তাঁকে প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা বলা হয়।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁকে বাংলা গদ্যের ‘প্রথম শিল্পী' বলে অভিহিত করেন।- বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়।
বাংলা আধুনিক সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি কে?
- মাইকেল মধুসূদন দত্ত
- কাজী নজরুল ইসলাম
- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
- ফররুখ আহমেদ
সঠিক উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪-১৮৭৩), তিনি বাংলা আধুনিক বাংলা কবিতার জনক। তাঁর কাব্যচর্চা শুরু হয় ইংরেজি ভাষায়। যশোর জেলার সাগরদাঁড়ি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।- বাংলা সাহিত্যে তিনি 'মধুকবি' নামে পরিচিত।- বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহাকবি,- বাংলা ভাষায় সনেট ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক,- আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রথম বিদ্রোহী কবি।তার-- রচিত ও প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ''শর্মিষ্ঠা'' (১৮৫৯) যা বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক নাটক। এর উল্লেখযোগ্য চরিত্রঃ- যযাতি,- দেবযানী,- শর্মিষ্ঠা,- মাধব্য,- পূর্ণিমা ইত্যাদি।
ওরা আমার মুখের ভাষা কাইরা নিতে চায় ... গানটি রচয়িতা কে?
- আবদুল লতিফ
- নজরুল ইসলাম
- আলতাফ মাহমুদ
- গোবিন্দ হালদার
সঠিক উত্তর: আবদুল লতিফ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - আব্দুল লতিফ একজন খ্যাতনামা বাংলাদেশী গীতিকার, সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী। - ‘ওরা আমার মুখের ভাষা কাইড়া নিতে চায়।’ গানটির রচয়িতা ও সুরকার হলেন তিনি।- তিনি ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত আবদুল গাফফার চৌধুরীর কবিতা আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো এর প্রথম সুরকার।
ক্ষীয়মান এর বিপরীত শব্দ কি?
- বৃহৎ
- বর্ধিষ্ণু
- বর্ধমান
- বৃদ্ধিপ্রাপ্ত
সঠিক উত্তর: বর্ধমান
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C ক্ষীয়মান শব্দের বিপরীত শব্দ বর্ধমান। হ্রাসমান ক্ষীয়মান শব্দের সমার্থক শব্দ। ক্ষয়িষ্ণু - বর্ধিষ্ণু। উচ্চমান - বর্ধমান।
Sub-concious অর্থ কি?
- অর্ধ-চেতন
- চেতনাহীন
- অবচেতন
- চেতনা প্রবাহ
সঠিক উত্তর: অবচেতন
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C Sub-conscious এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো "অবচেতন"।মনোবিজ্ঞানে Sub-conscious বা অবচেতন মনের ধারণাটি ফ্রয়েড প্রথম প্রবর্তন করেন। এটি মানুষের মানসিক প্রক্রিয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণকে প্রভাবিত করে।
অর্ধ-মাত্রার স্বরবর্ণ কয়টি?
- ১০ টি
- ৮ টি
- ৬ টি
- ১ টি
সঠিক উত্তর: ১ টি
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D মাত্রার উপর ভিত্তি করে বর্ণের সংখ্যা- - মাত্রাহীন [ ১০ টি ] -স্বরবর্ণ : এ, ঐ,ও, ঔ : (৪ টি) - ব্যঞ্জনবর্ণ : ঙ, ঞ, ৎ, ং, ঃ, ঁ (৬ টি) - অর্ধমাত্রা [ ৮ টি ] -স্বরবর্ণ : ঋ (১ টি) - ব্যঞ্জনবর্ণ : খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ (৭ টি) - পূর্ণমাত্রা [ ৩২টি ] -স্বরবর্ণ : অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ (৬ টি)-ব্যঞ্জনবর্ণ : ২৬ টি
'হিং টিং ছট' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্য থেকে নেওয়া হয়েছে?
- ভানুসিংহের পদাবলী
- কবি-কাহিনী
- চিত্রাঙ্গদা
- সোনার তরী
সঠিক উত্তর: সোনার তরী
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D - 'হিং টিং ছট' কবিতাটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর সোনার তরী (১৮৯৪) কাব্যগ্রন্থ্যের অন্তর্গত। - সোনার তরী 'মাত্রাবৃত্ত' ছন্দে রচিত।- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থটি ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়। - 'সোনার-তরী' অলুক তৎপুরুষ সমাস।- মণীন্দ্রমোহন বসু চর্যাপদের '৮ নং' পদের সাথে রবীন্দ্রনাথের 'সোনার তরী' কবিতার সাদৃশ্য খুজে পেয়েছেন। সোনার তরীঃ '- ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই, ছোট সে তরী/ আমারি সোনার ধানে গিয়েছে ভরি- 'খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে, বনের পাখি ছিল বনে। একদা কী করিয়া মিলন হ'ল দোঁহে, কী ছিল বিধাতার মনে।'নিরুদ্দেশ যাত্রাঃ 'আর কত দূরে নিয়ে যাবে মোরে হে' সুন্দরী?/বলো কোন্ পার ভিড়িবে তোমার সোনার তরী।'• এই গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতাগুলো হলো:- সোনার তরী,- হিং টিং ছট,- বিম্ববতী,- বর্ষাযাপন,- সুপ্তোত্থিতা,- বসুন্ধরা,- নিরুদ্দেশ যাত্রা।
বাক্যের মৌলিক উপাদান কোনটি?
- শব্দ
- ধ্বনি
- ভাব
- বর্ণ
সঠিক উত্তর: শব্দ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - ভাষার মূল উপকরণ : বাক্য- ভাষার মূল উপাদান : ধ্বনি- ভাষার বৃহত্তম একক : বাক্য- ভাষার ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি- বাক্যের মৌলিক উপাদান : শব্দ- বাক্যের মূল উপাদান : শব্দ- বাক্যের মূল উপকরণ : শব্দ- বাক্যের ক্ষুদ্রতম একক : শব্দ, বাক্যের মধ্যে স্থান পাওয়া প্রতিটি শব্দকে পদ বলে। - শব্দের মূল উপাদান : ধ্বনি- শব্দের মূল উপকরণ : ধ্বনি- শব্দের ক্ষুদ্রতম একক : ধ্বনি
কাজী নজরুল ইসলামকে কত সালে স্বপরিবারে বাংলাদেশে আনা হয?
- ১৯৭২ সালের ১৪ মে
- ১৯৭২ সালের ২৪ মে
- ১৯৭৪ সালের ১২ মে
- ১৯৭৪ সালের ২২ মে
সঠিক উত্তর: ১৯৭২ সালের ২৪ মে
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - ১৯৭২ সালের ২৪ মে ভারত সরকারের অনুমতিক্রমে উনাকে পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় ভালো মানসিক চিকিৎসা প্রদানের নিশ্চয়তা দিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় উনাকে আনা হয়।- বাংলাদেশের শারীরিক চিকিৎসা ব্যবস্থা যে পশ্চিমবঙ্গের তুলনায় উন্নত বিষয়টা তেমন ছিলো না, মূলত মানসিক সমস্যাটাই ছিলো কবির প্রধান সমস্যা। আর ঐ সময় সমগ্র ভারতে সাম্প্রদায়িক অসংহতি মারাত্মক রূপ নিয়েছিলো।- কাজী নজরুল ইসলাম অসাম্প্রদায়িক ব্যক্তি হলেও উনাকে শুধুমাত্র একজন মুসলমান হিসেবেই বিবেচনা করা হয়েছিল। আর ভারত সরকার সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসা দিয়ে নিশ্চিত করেছিলো যে তাঁর পক্ষে আর সুস্থ হওয়া সম্ভব নয়, তাই তাঁর চিকিৎসায় প্রচুর অবহেলা করা হচ্ছিল।- অপরদিকে বাঙালি সাহিত্যিকদের মধ্যে একমাত্র তিনি ই ছিলেন যাকে রবীন্দ্রনাথের বিপরীতে দাঁড় করানো যায়, তাই বাংলাদেশিরা উনাকে মনে প্রাণে ভালোবাসতো । আর যখন উনাকে ঢাকায় আনার সুযোগ পাওয়া গেলো, বাংলাদেশিরা সেই সুযোগ লুফে নেয়।- বাংলাদেশের জনগণের এ ভালোবাসার স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার উনার পরিবারের সদস্যদের সম্মতিক্রমে উনাকে স্থায়ীভাবে রেখে দেয়।
রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা । দুয়ারে কোন কারক?
- করণ
- সম্প্রদান
- অপাদান
- অধিকরণ
সঠিক উত্তর: অধিকরণ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D 'রাজার দুয়ারে হাতি বাঁধা'- দুয়ারে শব্দটি অধিকরণ কারক। ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে অধিকরণ কারক বলে। ক্রিয়াকে 'কোথায়/ কখন/ কী বিষয়ে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তাই অধিকরণ কারক।