Eduversity.bd — Learn with Us, Achieve Your Dreams

মিশ্র (পরীক্ষা) — MCQ ও উত্তর

৫ম শ্রেণি বৃত্তি · । এই অধ্যায়ে মোট 6টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 6টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।

এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন

  1. সাধু ও চলিত রীতির পার্থক্য কোন কোন পদে বেশি?

    1. ক্রিয়া ও বিশেষণ পদে
    2. বিশেষ্য ও বিশেষণ পদে
    3. সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে
    4. বিশেষ্য ও অব্যয় পদে

    সঠিক উত্তর: সর্বনাম ও ক্রিয়া পদে

    ব্যাখ্যা: সাধু ও চলিত রীতির মূল পার্থক্য সর্বনাম ও ক্রিয়াপদে দেখা যায়। সাধু রীতির সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতির তুলনায় দীর্ঘ হয়, যা চলিত রীতিতে সংক্ষিপ্ত রূপে ব্যবহৃত হয়।

  2. বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পর কোন চিহ্ন বসে?

    1. কমা
    2. হাইফেন
    3. লোপ
    4. দাঁড়ি

    সঠিক উত্তর: কমা

    ব্যাখ্যা: সাধারণত বাড়ি বা রাস্তার নম্বরের পর কমা চিহ্ন ব্যবহৃত হয়। যেমন: ৩২, প্রফেসর পাড়া।

  3. “ইঁদুর কপালে” – এর বিপরীত বাগধারা কোনটি?

    1. নিরেট বোকা
    2. একাদশে বৃহস্পতি
    3. সোনার সোহাগা
    4. অহংকারী

    সঠিক উত্তর: একাদশে বৃহস্পতি

    ব্যাখ্যা: “ইঁদুর কপালে” বাগধারাটির অর্থ মন্দভাগ্য। এর বিপরীত বাগধারা হলো “একাদশে বৃহস্পতি”, যার অর্থ সৌভাগ্য। অন্যান্য বিকল্পগুলি হলো: নিরেট বোকা মানে মূর্খ, সোনার সোহাগা মানে উপযুক্ত মিলন বা মণিকাঞ্চন যোগ, এবং অহংকারী মানে পায়াতারী।

  4. সুলিখিত পত্র অনেক সময় কিসের মর্যাদা লাভ করে?

    1. ঐতিহাসিক
    2. সামাজিক
    3. সাংস্কৃতিক
    4. সাহিত্যিক

    সঠিক উত্তর: সাহিত্যিক

    ব্যাখ্যা: ভালোভাবে লেখা পত্র অনেক সময় সাহিত্যিক মর্যাদা লাভ করে। যেমন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'ছিন্ন পত্রাবলী' যার অধিকাংশই তার আত্মীয়া ইন্দিরা দেবীকে লেখা হয়েছিল।

  5. “জীবন সূর্য” কোন সমাস?

    1. মধ্যপদলোপী কর্মধারায় সমাস
    2. দ্বন্দ্ব সমাস
    3. ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস
    4. রূপক কর্মধারায় সমাস

    সঠিক উত্তর: রূপক কর্মধারায় সমাস

    ব্যাখ্যা: “জীবন সূর্য” এর ব্যাসবাক্য হলো 'জীবন রূপ সূর্য'। এখানে জীবন ও সূর্যকে অভিন্নভাবে কল্পনা করা হয়েছে, তাই এটি রূপক কর্মধারায় সমাস।

  6. দেশি ও তৎসম শব্দের মিশ্রণকে কি বলে?

    1. বাহুল্য দোষ
    2. গুরুচণ্ডালী দোষ
    3. দুর্বোধ্যতা
    4. উপমার ভুল প্রয়োগ

    সঠিক উত্তর: গুরুচণ্ডালী দোষ

    ব্যাখ্যা: দেশি ও তৎসম শব্দের অযাচিত মিশ্রণকে গুরুচণ্ডালী দোষ বলে। নব্বইজনজনিত ভুলকে বাহুল্য দোষ বলে, সহজে না বোঝা গেলে দুর্বোধ্যতা, এবং উপমা অলঙ্কারের সঠিক ব্যবহার না হলে উপমার ভুল প্রয়োগ বলে।