ইসলাম শিক্ষা — MCQ ও উত্তর
ইসলাম শিক্ষা · । এই অধ্যায়ে মোট 31টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 10টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।
এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন
কাজী নজরুল ইসলামের জন্ম তারিখ কোনটি?
- ১১ জ্যৈষ্ঠ
- ১২ ভাদ্র
- ১২ ভাদ্র
- ২৫ বৈশাখ
সঠিক উত্তর: ১১ জ্যৈষ্ঠ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ২৪ মে, ১৮৯৯ সালে (বাংলা- ১১ই জ্যৈষ্ঠ, ১৩০৬) পশ্চিমবঙ্গের বর্ধমান জেলার আসানসোলের চুরুলিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ২৯ আগস্ট, ১৯৭৬ সালে (বাংলা- ১২ই ভাদ্র, ১৩৮৩) সকাল ১০টা ১০ মিনিটে মাত্র ৭৭ বছর বয়সে ঢাকার পিজি হাসপাতালে ইহলোক ত্যাগ করেন। তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মসজিদের পাশে বিকেল ৫.৩০ ঘটিকায় সমাধিস্থ করা হয়।
কোন গ্রন্থটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা নয়?
- আরেক ফাল্গুন
- ব্যথার দান
- রিক্তের বেদন
- মৃত্যুক্ষুধা
সঠিক উত্তর: আরেক ফাল্গুন
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - জহির রায়হান রচিত ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম উপন্যাস ‘আরেক ফাল্গুন' (১৯৬৮)। - ১৯৪৮ থেকে ১৯৫২ হয়ে ১৯৫৫ সালে বর্তমান শহিদ মিনারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন পর্যন্ত চলমান আন্দোলন, জনতার সম্মিলন, ছাত্র/ছাত্রীদের প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ, তাদের প্রেম-প্রণয় ইত্যাদি এ উপন্যাসের মূল বিষয়। - কাজী নজরুল ইসলাম। রচিত উপন্যাস ‘মৃত্যুক্ষুধা' (১৯৩০); গল্পগ্রন্থ 'ব্যথার দান (১৯২২) ও ‘রিক্তের বেদন' (১৯২৫)।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের কততম বিশ্ববিদ্যালয়?
- সপ্তম
- অষ্টম
- চতুর্থ
- নবম
সঠিক উত্তর: সপ্তম
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A
ইসলামিক প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কোথায় অবস্থিত?
- গাজীপুর
- কুষ্টিয়া
- চট্টগ্রাম
- রংপুর
সঠিক উত্তর: গাজীপুর
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?
- রিয়াদ
- জেদ্দা
- দামেস্ক
- মক্কা
সঠিক উত্তর: জেদ্দা
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (OIC) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে।- ২০১১ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC) ।- OIC’র সদর দপ্তর বা সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।- ইসরাইল কর্তৃক আল আকসা মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার প্রেক্ষাপটে OIC গঠিত হয়।- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।
'ইসলামিক স্টেট' (IS) বা আইসিস (ISIS) এর পূর্বনাম কী ছিল, যা মূলত ইরাক ও সিরিয়া কেন্দ্রিক কার্যক্রম শুরু করে?
- আল-কায়েদা ইন ইরাক
- ISIL
- জামাত আল-তাওহিদ ওয়াল-জিহাদ
- আইএসকেপি (ISKP)
সঠিক উত্তর: ISIL
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B - এই সংগঠনটি বিভিন্ন সময়ে নাম পরিবর্তন করেছে। - শুরুতে এটি 'জামাত আল-তাওহিদ ওয়াল-জিহাদ' এবং পরে 'আল-কায়েদা ইন ইরাক' নামে পরিচিত ছিল।- পরবর্তীতে এটি 'ইসলামিক স্টেট অফ ইরাক' (ISI) নাম ধারণ করে।- সিরিয়াতে কার্যক্রম বিস্তারের পর এর নাম হয় ISIL (Islamic State of Iraq and the Levant) বা ISIS (Islamic State of Iraq and Syria/al-Sham)। - ২০১৪ সালে খিলাফত ঘোষণার পর তারা নাম সংক্ষিপ্ত করে শুধু 'ইসলামিক স্টেট' (IS) রাখে। - প্রশ্নের অপশন অনুযায়ী ISIL হলো ২০১৪-এর পূর্ববর্তী বহুল ব্যবহৃত নাম।
‘রিয়াজ-উস-সালাতীন' গ্রন্থটির রচয়িতা কে?
- মিনহাজ-উস-সিরাজ
- আবুল ফজল
- গোলাম হোসেন সলিম জায়েদপুরী
- জিয়াউদ্দিন বারানি
সঠিক উত্তর: গোলাম হোসেন সলিম জায়েদপুরী
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C - 'রিয়াজ-উস-সালাতীন' গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন গোলাম হোসেন সলিম জায়েদপুরী।- এটি বাংলায় মুসলিম শাসনের ওপর লিখিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।- গ্রন্থটি ফারসি ভাষায় রচিত হয়েছিল এবং এটি বাংলার নবাবদের সময়কালসহ মুসলিম শাসনের একটি ধারাবাহিক বিবরণ প্রদান করে।- গ্রন্থটিতে গিয়াসউদ্দিন আযম শাহের মতো সুলতানদের ন্যায়বিচারের বর্ণনাও পাওয়া যায়।ভুল বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ:মিনহাজ-উস-সিরাজ: তিনি 'তাবাকাত-ই-নাসিরী' নামক বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থের রচয়িতা, যা বখতিয়ার খলজির বাংলা বিজয়সহ দিল্লির সুলতানি আমলের প্রাথমিক ইতিহাস তুলে ধরে। তিনি 'রিয়াজ-উস-সালাতীন' রচনা করেননি। আবুল ফজল: তিনি ছিলেন সম্রাট আকবরের সভাসদ এবং 'আকবরনামা' ও 'আইন-ই-আকবরী' গ্রন্থের লেখক। তার লেখনী মূলত মুঘল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় ঘটনাবলী নিয়ে, বাংলার পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস নিয়ে নয়। জিয়াউদ্দিন বারানি: তিনি দিল্লির সুলতানি আমলের একজন ঐতিহাসিক ছিলেন এবং 'তারিখ-ই-ফিরোজশাহী' গ্রন্থের রচয়িতা। তিনি বাংলাকে 'বুলগাকপুর' বা 'বিদ্রোহের নগরী' বলে উল্লেখ করেছেন, কিন্তু 'রিয়াজ-উস-সালাতীন' রচনা করেননি।
কাজী নজরুল ইসলামের ‘অগ্নিবীণা’ কী ধরনের গ্রন্থ?
- কাব্যগ্রন্থ
- উপন্যাস
- প্রবন্ধ
- নাটক
সঠিক উত্তর: কাব্যগ্রন্থ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' সেপ্টেম্বর, ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।কবি নজরুলের কাব্যগ্রন্থ:- অগ্নিবীণা,- বিষের বাঁশি,- ভাঙার গান,- সাম্যবাদী,- সর্বহারা,- ঝিঙে ফুল,- ফণি-মনসা,- দোলনচাঁপা,- জিঞ্জিরা,- প্রলয় শিখা ইত্যাদি।
কাজী নজরুল ইসলামের 'শিউলি মালা' গল্পের নায়িকা কে?
- আজমেরী
- নার্গিস
- আলেয়া
- শিউলি
সঠিক উত্তর: শিউলি
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত 'শিউলি মালা' একটি পত্রোপন্যাসধর্মী গল্প। এই গল্পের নায়িকার নাম শিউলি। গল্পটিতে পত্রের মাধ্যমে শিউলি ও আজহারের প্রণয় ও বিরহের আখ্যান বর্ণিত হয়েছে। গল্পটি নজরুল ইসলামের 'শিউলি মালা' (১৯৩১) নামক গল্পগ্রন্থের অন্তর্গত।প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত তথ্যগুলো:- কাজী নজরুল ইসলামের 'শিউলি মালা' গল্পগ্রন্থটি ১৯৩১ সালে (১৩৩৮ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়।- এই গল্পগ্রন্থের উল্লেখযোগ্য গল্পগুলো হলো: 'শিউলি মালা', 'পদ্ম-গোখরো', 'জিনের বাদশা' ও 'অগ্নি-গিরি'।- 'শিউলি মালা' গল্পে মোট চারটি পত্র বা চিঠি রয়েছে।- এই গল্পের নায়ক চরিত্রের নাম আজহার।• কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্পগ্রন্থ:- ব্যথার দান (১৯২২)- রিক্তের বেদন (১৯২৫)- শিউলি মালা (১৯৩১)।
কাজী নজরুল ইসলামের পত্রোপন্যাস কোনটি?
- বাঁধন হারা
- মৃত্যুক্ষুধা
- কুহেলিকা
- রিক্তের বেদন
সঠিক উত্তর: বাঁধন হারা
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A • কাজী নজরুল ইসলাম রচিত বাংলা সাহিত্যে প্রথম পত্রোপন্যাস 'বাধন-হারা' (১৯২৭)• ১৯২১ সালে 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয় ।• এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্রঃ নুরুল হুদা, রাবেয়া, মাহবুবা ।• তার রচিত আরো দুটি উপন্যাসঃ মৃত্যুক্ষুধা ও কুহেলিকা ।