বাংলা সাহিত্য — MCQ ও উত্তর
বাংলা সাহিত্য · । এই অধ্যায়ে মোট 5630টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 10টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।
এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন
সাপের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মনসার অপর নাম কি?
- ক্ষেমানন্দ
- কেতকা
- পদ্মাবতী
- খ ও গ
সঠিক উত্তর: খ ও গ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D সাপের অধিষ্ঠাত্রী দেবী মনসার অপর নাম-- কেতকা ও পদ্মাবতী।
মঙ্গলকাব্যে প্রধানত কোন ছন্দ ব্যবহৃত হয়েছে?
- স্বরবৃত্ত ছন্দ
- পয়ার ছন্দ
- মুক্তক ছন্দ
- গৈরিক ছন্দ
সঠিক উত্তর: পয়ার ছন্দ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option B
প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যকে কয় শ্রেনীতে ভাগ করা যায়?
- ৩
- ৪
- ২
- ৫
সঠিক উত্তর: ২
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C প্রকৃতপক্ষে মঙ্গলকাব্যকে ২ শ্রেনীতে ভাগ করা যায়। যথা-- পৌরাণিক ও লৌকিক।
কোনটি পৌরাণিক মঙ্গল কাব্য?
- অন্নদামঙ্গল
- গৌরিমঙ্গল
- দুর্গামঙ্গল
- সবগুলো
সঠিক উত্তর: সবগুলো
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D মঙ্গলকাব্য মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের এক বিশেষ ধারা। দেবমাহাত্ম্যমূলক সমাজচিত্রভিত্তিক এ কাব্যই বাংলা সাহিত্যের প্রথম ও নিজস্ব কাহিনীকাব্য। এ কাব্য পাঠ বা শ্রবণ করলে সকল প্রকার অকল্যাণ নাশ ও সর্ববিধ মঙ্গল লাভ হয় এরূপ ধারণা থেকেই এর নাম হয়েছে মঙ্গলকাব্য। মঙ্গলকাব্য পালা হিসেবে গীত হতো, তবে এতে সুর অপেক্ষা কাহিনীই বেশি প্রাধান্য পেত। প্রতিটি মঙ্গলকাব্যে একেকজন দেবতার মাহাত্ম্য বর্ণিত হয়েছে। মঙ্গলকাব্যের প্রধান দেবতারা হচ্ছেন মনসা, চন্ডী ও ধর্মঠাকুর। এঁদের মধ্যে মনসা ও চন্ডী এই দুই স্ত্রীদেবতার প্রাধান্য বেশি। এই তিনজনকে কেন্দ্র করে মঙ্গলকাব্যের প্রধান তিনটি ধারা গড়ে উঠেছে মনসামঙ্গল, চন্ডীমঙ্গল ও ধর্মমঙ্গল। কালক্রমে শিবঠাকুরও মঙ্গলকাব্যের বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন এবং তৎকেন্দ্রিক কাব্যধারার নাম শিবায়ন বা শিবমঙ্গল। মঙ্গলকাব্যের চারটি সাধারণ লক্ষণ আছে, যাকে কেন্দ্র করে এর বিষয়বস্ত্ত চারটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশ বন্দনা। দ্বিতীয় অংশে থাকে কবির আত্মপরিচয় এবং গ্রন্থ রচনার কারণ স্বপ্নাদেশ বা দৈবনির্দেশের বর্ণনা। তৃতীয় অংশ দেবখন্ড। চতুর্থ অংশ নরখন্ড ও আখ্যায়িকা।
কোনটি লৌকিক মঙ্গল কাব্য?
- মনসামঙ্গল
- চন্ডীমঙ্গল
- সারদামঙ্গল
- সবগুলো
সঠিক উত্তর: সবগুলো
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D লৌকিক ঙ্গল কাব্য: শিবায়ন /শিবমঙ্গল, মনসামঙ্গল, চণ্ডীমঙ্গল, ধর্মমঙ্গল, কালিকা মঙ্গল/বিদ্যাসুন্দর, শীতলামঙ্গল, রায়মঙ্গল, ষষ্ঠীমঙ্গল, সারদামঙ্গল, সূর্যমঙ্গল
ভবানন্দ মজুমদার এর পুর্বনাম কি ছিল?
- ভবানন্দ
- মজুমদার
- ভবানন্দ মজুমদার
- দূর্গাদাস
সঠিক উত্তর: দূর্গাদাস
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option D
কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম কার অনুরোধে চন্ডীমঙ্গল কাব্য রচনা করেন?
- রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের
- চন্দ্র সুধমার
- জমিদার রঘুনাথ রায়ের
- মাগন ঠাকুর
সঠিক উত্তর: জমিদার রঘুনাথ রায়ের
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C - কবিকঙ্কন মুকুন্দরাম চক্রবর্তী 'চন্ডীমঙ্গল কাব্য' -এর শ্রেষ্ঠ কবি।- মুকুন্দরাম চক্রবর্তী ষোড়শ শতকের কবি। ১৫৫৭ খ্রিষ্টাব্দে মুকুুন্দরাম তাঁর পৈতৃক নিবাস ত্যাগ করে মেদিনীপুর জেলার আড়রা গ্রামে আশ্রয় নেন। - মেদিনীপুরের রাজা রঘুনাথ রায়ের অনুরোধে তিনি ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্য রচনা করেন। - এই রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ‘কবিকঙ্কন' উপাধি দেন রাজা রঘুনাথ রায়।চন্ডীমঙ্গলের কাহিনী ২টি।যথা:- কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনী,- ধনপতি - লহনা - খুলনার কাহিনী।চন্ডীমঙ্গল কাব্যের প্রথম অংশের চরিত্র:- কালকেতু, ফুল্লরা, কলিঙ্গের রাজা, মুরারি শীল, ভাঁড়ুদত্ত।চন্ডীমঙ্গল কাব্যের দ্বিতীয় অংশের প্রধান চরিত্র:- ধনপতি সওদাগর, লহনা, খুলনা।
ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর নবদ্বীপে্র রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে কোন গ্রন্থ রচনা করেন?
- মনসামঙ্গল
- ধর্মমঙ্গল
- অন্নদামঙ্গল
- সারদামঙ্গল
সঠিক উত্তর: অন্নদামঙ্গল
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option C নবদ্বীপে্র রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের আদেশে ভারতচন্দ্র রায়গুনাকর ''অন্নদামঙ্গল'' গ্রন্থ রচনা করেন। এই কাব্য রচনার পর মহারাজা কৃষ্ণচন্দ্র ভারতচন্দ্রকে ''রায়গুনাকর'' উপাধি দেন।
সমস্ত ধর্মমঙ্গল কাব্য কয়টি কাহিনী নিয়ে রচিত?
- দুটি
- তিনটি
- চারিটি
- ছয়টি
সঠিক উত্তর: দুটি
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A
দ্বিজ বংশীদাসের জন্ম কোথায়?
- ময়মনসিংহ
- কলকাতায়
- মিথিলায়
- সিলেটে
সঠিক উত্তর: ময়মনসিংহ
ব্যাখ্যা: সমাধান সঠিক উত্তর: Option A - মধ্যযুগের বাংলা মনসামঙ্গল কাব্যধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি দ্বিজ বংশীদাস (১৬শ-১৭শ শতক) ময়মনসিংহ জেলার কিশোরগঞ্জের পাতুয়ায়ী (বা পাতুয়ারী) গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।- বাংলা একাডেমি ও বাংলাপিডিয়া অনুসারে, তাঁর পিতা যাদবানন্দ ছিলেন সুকণ্ঠ গায়েন এবং কন্যা চন্দ্রাবতী ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আদি মহিলা কবি (যিনি রামায়ণ রচনা করেন)।- দ্বিজ বংশীদাস সংস্কৃত, পুরাণ, আগম ও তন্ত্রাদি শাস্ত্রে অগাধ পণ্ডিত ছিলেন এবং সুকণ্ঠ গায়ক হিসেবেও তাঁর ব্যাপক প্রসিদ্ধি ছিল।