ইসলাম শিক্ষা · নবি, রাসুল ও সাহাবিগণের জীবনচরিত — MCQ ও উত্তর
৫ম শ্রেণি · ইসলাম শিক্ষা। এই অধ্যায়ে মোট 31টি প্রশ্ন আছে। নিচে প্রথম 10টি প্রশ্ন ও সঠিক উত্তর দেওয়া হলো।
এই অধ্যায়ে সব প্রশ্নে অনুশীলন করুন
হজরত দাউদ (আ.)-এর ওপর কোন আসমানি কিতাব নাযিল হয়?
- যাবুর
- ইনজিল
- তাওরাত
- কুরআন
সঠিক উত্তর: যাবুর
ব্যাখ্যা: হজরত দাউদ (আ.)-এর ওপর আসমানি কিতাব 'যাবুর' নাযিল হয়।
হজরত দাউদ (আ.) শৈশবে কী কাজ করতেন?
- মেষ চরাতেন
- ব্যবসা করতেন
- মাছ ধরতেন
- লেখাপড়া করতেন
সঠিক উত্তর: মেষ চরাতেন
ব্যাখ্যা: শৈশবে হজরত দাউদ (আ.) মেষ চরাতেন।
হজরত দাউদ (আ.) নিজ হাতে কী তৈরি করতেন?
- ইস্পাতের বর্ম
- ঘরের দরজা
- নৌকা
- কাপড়
সঠিক উত্তর: ইস্পাতের বর্ম
ব্যাখ্যা: তিনি নিজ হাতে ইস্পাতের বর্ম তৈরি করতেন এবং তা বিক্রির আয় দিয়ে সংসার চালাতেন।
মহানবি (স.) কার উপার্জনকে সর্বোত্তম বলেছেন?
- নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্য
- দান করা খাদ্য
- বিনামূল্যের খাদ্য
- লুটের সম্পদ
সঠিক উত্তর: নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্য
ব্যাখ্যা: মহানবি (স.) বলেছেন, নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য কেউ খায় না।
হজরত ঈসা (আ.)-এর ওপর কোন আসমানি কিতাব নাযিল হয়?
- ইনজিল
- যাবুর
- তাওরাত
- কুরআন
সঠিক উত্তর: ইনজিল
ব্যাখ্যা: হজরত ঈসা (আ.)-এর ওপর আসমানি কিতাব 'ইনজিল' নাযিল হয়।
হজরত ঈসা (আ.)-এর মাতার নাম কী?
- হজরত মারিয়াম (আ.)
- হজরত খাদিজা (রা.)
- হজরত আমিনা (রা.)
- হজরত ফাতেমা (রা.)
সঠিক উত্তর: হজরত মারিয়াম (আ.)
ব্যাখ্যা: হজরত ঈসা (আ.)-এর মাতার নাম হজরত মারিয়াম (আ.)।
কিয়ামতের পূর্বে হজরত ঈসা (আ.) পুনরায় পৃথিবীতে এসে কাকে হত্যা করবেন?
- দাজ্জালকে
- ফেরাউনকে
- জালুতকে
- আবু জাহেলকে
সঠিক উত্তর: দাজ্জালকে
ব্যাখ্যা: হজরত ঈসা (আ.) পুনরায় আগমন করে দাজ্জালকে হত্যা করবেন।
মহানবি (স.) কত খ্রিষ্টাব্দে কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন?
- ৫৭০
- ৬১০
- ৬২২
- ৬৩২
সঠিক উত্তর: ৫৭০
ব্যাখ্যা: মহানবি (স.) ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে মক্কায় কুরাইশ বংশে জন্মগ্রহণ করেন।
মহানবি (স.)-এর পিতা ও মাতার নাম কী?
- আব্দুল্লাহ ও আমিনা
- আফফান ও আরওয়া
- আবু তালিব ও ফাতেমা
- উমর ও খাদিজা
সঠিক উত্তর: আব্দুল্লাহ ও আমিনা
ব্যাখ্যা: মহানবি (স.)-এর পিতার নাম আব্দুল্লাহ এবং মাতার নাম আমিনা।
মহানবি (স.)-কে কী নামে অভিহিত করা হতো?
- আল-আমিন (বিশ্বস্ত)
- আল-ফারুক
- জুলফিকার
- আসাদুল্লাহ
সঠিক উত্তর: আল-আমিন (বিশ্বস্ত)
ব্যাখ্যা: বাল্যকালেই সততার জন্য তিনি 'আল-আমিন (বিশ্বস্ত)' নামে অভিহিত হন।